কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন বলেছেন, শেখা হলো এমন জার্নি যার কোনো শেষ নেই। প্রথাগত জ্ঞানকে তোমাদের চ্যালেঞ্জ করা শিখতে হবে। শুধুমাত্র একাডেমিক বইয়ে ব্যস্ত না থেকে তোমাদের গবেষণায় সংযুক্ত থাকতে হবে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির জন্য।
তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলো নতুন জ্ঞান সৃষ্টির জায়গা যা স্কুল কলেজে খুব কম হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা আছে তার মানে এই না যে তুমি কাউকে গিয়ে আঘাত করবে বরং তোমরা বিশ্বায়নের প্রতিকুলতা গুলোকে মোকাবিলা করবে। তোমরাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, তোমরা যদি ভালো কিছু করো তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়বে আর খারাপ কিছু করলে দুর্নাম হবে। তাই এমন ভাবে কাজ করো যেন তুমিই বিশ্ববিদ্যালয়ের এম্বাসেডর।
মঙ্গলবার মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ দিন সকাল ১০টায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের পরীক্ষার হল কাম কনফারেন্স রুমে মার্কেটিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈনের উপস্থিতিতে কেক কেটে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।
মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ সোলাইমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন সরকার।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভালো কিছু শিখতে হবে। সেই সাথে সঠিকটা বাছাই করার মধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই তুমি তোমার এবং দেশের প্রয়োজনে কাজে দিবে।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, তোমাকে সর্বপ্রথম মানবিক মানুষ হতে হবে। তোমার হাতে অফুরন্ত সময় এবং এটাই তোমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। পড়াশোনার পাশাপাশি তুমি অন্য কিছু করবে। অন্যকিছুর পাশাপাশি পড়াশোনা না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বন্ধু বাছাই করাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানবিক মানুষ খুঁজে বের করতে হবে যাতে নিজেই মানবিক মানুষ হয়ে উঠতে পারো।
এ সময় অনুষ্ঠানে অতিথিদেরকে ফুল ও বই দিয়ে বরণ করে নেন মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
Leave a Reply